বৃহস্পতিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

পিতা কালাম’ জন্ম কালো (২১)


পিতা কালাম’ জন্ম কালো (২১)
আবুলকালামআজাদবাসু
28/2/2013



বিসমিল্লাহির রাহমানির রহিম
পরম করুণাময় আল্লাহর নামে ৷

বাল্যকালে এ গৃহ আগুনে ধ্বংস প্রাপ্ত
জানি না কে ই বা করে দান এ বুদ্ধত্ব ৷
মোর জীবন বৃত্তান্ত শুনাবার তরে,
অন্তচক্ষু বিশেষজ্ঞ বিশ্ব মানব-রে,
অবিশ্বাস্য মোর বুলি শুভ্র বিলোচনে
তিনিই চিরঞ্জীবী মহা পরম সত্তা ৷
মহা-গ্রন্থে কথিত বিশ্ব মৈত্রী স্থাপনে
নাহি অলৌকিক ক্ষমতা নাহি দক্ষতা,
কহিলাম প্রাণরাম! নহি প্রকাশিত,
ভ্রমে পতিতজন নহি বীর বিরিখ ৷





বুধবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

রাষ্ট্র আমাদের ধর্ম তোমাদের


রাষ্ট্র আমাদের ধর্ম তোমাদের
আবুলকালামআজাদবাসু
27/2/2013

রাষ্ট্র আমাদের ধর্ম তোমাদের
কোরআন বিশ্ব জগতের
ইসলাম ধর্ম সবার ৷
এ ধর্ম নহে কোন এককের
শুরু থেকে শেষ সবাই ইসলামের
যদি হত এককের
বিশ্বে থাকত না অধিকার নাগরিকত্বের ৷
আল্লাহর ইচ্ছা বাস্তবায়নে
মানুষে মানুষে প্রয়োজন সমতার,
ইসলাম দিয়েছে এ অধিকার
প্রত্যেকের ধর্ম প্রত্যেকের,
বিধির বিধান এ নির্দেশ তাঁহার
রাষ্ট্র আমাদের ধর্ম যার যার ৷
আইন প্রয়োগ সমান সবার উপর ৷
ভুল পথে যাত্রা বাড়বে হানাহানি
ভিন রাষ্ট্রে মুসলিমের গ্লানি
সংখ্যায় তারা হাজার হাজার
সেথায় ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার ৷
রাষ্ট্র আমাদের ধর্ম তোমাদের
কোরআন বিশ্ব জগতের
ইসলাম ধর্ম সবার ৷


মঙ্গলবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

আমার কথা প্রথম খণ্ড (২১)


 আমার কথা   প্রথম খণ্ড (২১)
আবুলকালামআজাদবাসু
26/2/2013

নাহি তাতে গর্ব মোর ইচ্ছা আল্লাহর,
শুনা-ব অন্য জাতির ধর্মশাস্ত্র তোরে,
প্রথমে গমন কর নিজ ধর্ম গ্রন্থে ৷
আল্লাহ তাঁরে আকাশে উত্তোলন করে,
তুমি তাঁরে সমাধিস্থ করেছ কাশ্মীরে ৷
স্বার্থ চরিতার্থে কাশ্মীরে নিয়েছ তাঁরে!
যা রচনা করা হচ্ছে তাতে মোটেও কোন গর্ব নেই কারণ এ সবই আল্লাহর ইচ্ছারই প্রতিফলন ঘটছে ৷ একদল মনে করতে পারে তারা কি আল্লাহর অভিলাষের বিরুদ্ধে তাদের রচিত কিতাবাদি উপস্থাপন করেছেন? উত্তরে বলব, ‘না’! তারাও আল্লাহর আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়েছেন ৷ তারা গর্বিত এ কারণে যে, কোরআনের ‘আহমদ’ নামটা সমভাবে প্রযোজ্য মির্জা গোলাম আহমদ কাদিয়ানীর জন্যও ৷ ভুল ব্যাখ্যার কারণে তারা আজ অহংকারী ৷ তাই তাড়াহুড়া করে ঐতিহাসিক প্রমাণের মাধ্যমে হযরত ঈসাকে (আঃ) ১২০ বৎসর বয়সে মৃত্যু দান করে তারা আত্ম তৃপ্তি লাভ করেছে ৷ শয়তানও এজন্য গর্বিত যে, তার প্রসঙ্গ শতাধিক বার কোরআনে আলোচিত হয়েছে ৷ তারা আকাশ অর্থ খালি ছাড়া আর কিছু বুঝে না অথচ খালি বলতে কোন জায়গা এ বিশ্ব-ব্রহ্মাণ্ডে নেই ৷ আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন সাত আসমান ও জমিন ৷ কিন্তু তারা ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন যে, ঈসা (আঃ) কোথায়, কোন আকাশে বাস করছেন? যদি প্রশ্ন করা হয় গোলাম আহমদ কাদিয়ানী কোথায় বাস করছেন? নিশ্চয়ই তারা বলবে বরযখে ৷ সুতরাং উপরে নীচে সর্বস্তরে জীব বসবাস করার উপযোগী স্থানও আল্লাহ সৃষ্টি করে রেখেছেন ৷
“যাহারা কুফরি করিয়াছে আল্লাহ তাহাদিগকে কখনও ক্ষমা করিবেন না এবং তাহাদিগকে কোন পথও দেখাইবেন না ৷ “ ৪(১৬৮) কোরআন ৷
এরূপ কুফরী কারী অবিশ্বাসী, ভিন্নমত পোষণকারী যুগে যুগে আবির্ভাব হয়েছে, হতে থাকবে ৷ তারা এক আয়াতের সাথে অন্য আয়াত সংযুক্ত করে স্বার্থ উদ্ধার করার তৎপরতা অব্যাহত রাখবে ৷ আল্লাহ তাদেরকে কখনো ক্ষমা করবেন না ৷ তাদেরকে সুপথও দেখাবেন না ৷ তারা নিজেরাই মনে করবে কোরআনকে তারা এত বুঝেছে অন্যরা তাদের সমকক্ষ নন ৷ পাঠক সমাজ! আলোচ্য বিষয় ৩(৫৫) আয়াতের প্রতিকূলে রাষ্ট্র গঠন করায় কি কোরআন মিথ্যা হয়ে যাবে? না, কখনও তা নহে বরং সর্ব কৌশলীর কৌশল তাদেরকে পরাস্ত করে দেবে ৷ আর একদল বলবে যে, রোম সাম্রাজ্য পতনের পর, এ অর্থ পূর্ণ হয়ে গেছে ৷
“তাহাদিগের জন্য আছে সুসংবাদ পার্থিব জীবনে ও পারলৌকিক জীবনে: আল্লাহর বাণীর
কোন পরিবর্তন নাই; উহাই মহা-সাফল্য ৷ “ ১০(৬৪) কোরআন ৷
যারা আল্লাহ ও আল্লাহর রসুলের অনুসরণ করে তাদের জন্য ইহলোকে ও পরলোকে সুসংবাদ রয়েছে ৷ আর যারা হযরত (সঃ) পর নবী দাবী কারক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন তারা তো এরূপ সুসংবাদকে তাদের কৃতিত্ব বলে প্রচার করে ধর্মগুরু নামে অভিহিত হয়ে গেছেন এবং ভবিষ্যতে তারা নবী রসুলদের আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করে তাতে উপবিষ্ট হবেন ৷ কারণ তারা চায় না যে, সাধারণ নাগরিকত্ব, বরং তাদের প্রয়োজনে প্রধান মন্ত্রীর আসন ৷ তারা ঐ সাধকের ন্যায় পানি চক্রের কথায় ভাবেন যার কোন ইতি নেই ৷ তবে তারা স্বীকার করেন যে, শুরু যখন আছে তার শেষও আছে ৷ কিন্তু নবী আগমন ধারার কোন সমাপ্ত নেই ৷
১৯৪৭ সালে ইহুদি রাষ্ট্রর প্রথম জন্ম হয় জাতিসংঘে আইন পাশের মাধ্যমে ৷ পাঠক সমাজ! বার বার কেন এ রাষ্ট্রের কথা প্রসঙ্গে রচিত হচ্ছে? হয়তো অনেকের মনে এ প্রশ্ন জাগরিত হওয়াটা স্বাভাবিক ৷ কিন্তু ইহার উদ্যোক্তা স্বয়ং আল্লাহ ৷ কারণ হাদিসে বর্ণিত আছে এ রাষ্ট্রের মধ্যে বা অন্য কোথাও যদি একজন ইহুদি লুকিয়ে থাকে তাহলে পাথরও চীৎকার করে কথা বলবে বা দেখিয়ে দিবে ৷ তাই এ কথা প্রকৃতির ভাষা ৷ আজ পাক-কোরআনের বিপরীতে কি একটি রাষ্ট্র গঠন হল না? বিরুদ্ধবাদীরা হয়তো আমার কথার বিপরীতে সোচ্চার হতে পারে ৷ এ আয়াতকে কেন্দ্র করে নিজের জীবন বৃত্তান্ত টেনে আনায় অধিক যুক্তি সঙ্গত মনে হয়েছে ৷ এ রাষ্ট্রের গঠন সম্পর্কে তফছীর মারে-ফুল কোরআনে বিশদভাবে আলোচিত হয়েছে ৷ সুতরাং ইহাতে নতুনত্ব কিছু নেই ৷ সোজা কথায় বলা যায় কুচক্রী মহল যখন ইসরাইল রাষ্ট্র গঠন সম্পর্কে দৃঢ় আস্থা পোষণ করেছে তখন আল্লাহ সর্ব কৌশলী যে পন্থা অবলম্বন করেছেন তা হল এ যে, ১৯৪৭ সালে আমার জন্ম নির্ধারিত করে দিয়েছেন যাতে এ দৃষ্টান্ত জনসমক্ষে তোলে ধরতে পারি ৷ তবে ইহার মূল জবাব আল্লাহ ভাল জানেন ৷ কেবল উপস্থাপক হিসেবে আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে ব্রতী হয়েছি ৷ যদি এ ব্যাপারে আরও প্রশ্ন জাগে তবে তাঁদের প্রকৃতিকেই জিজ্ঞাসা করা সমীচীন হবে বলে মনে করি ৷
মুনাফিক-গন  তো জাহান্নামের নিম্ন স্তরে রহিবে এবং তাহাদের জন্য তুমি কখনও কোন সহায় পাইবে না ৷” ৪(১৪৫) কোরআন ৷
অবিশ্বাসীদের চেয়ে মুনাফিকগণ অত্যধিক জালেম হয়ে থাকে ৷ তারা একদিকে নিজেদেরকে মুসলিম হিসেবে পরিচয় দান করবে অন্যদিকে আল্লাহর আয়াত সমূহে খুঁত বের করে যা সত্য নয় তা নিয়ে মানুষকে বিপদের দিকে ঠেলে দিবে ৷ তাদের মধ্যে কাদিয়ানী জামাত অন্যতম ৷ কাদিয়ানী সাহেব ক্ষণে ঈসা, ক্ষণে ইমাম মেহেদি, ক্ষণে মাহদী যার অর্থ ওহী প্রাপ্ত, ক্ষণে ঈসা সদৃশ, আবার মুখে বলে ঈসা সদৃশ বলা কি অপরাধ? ক্ষণে বলে যে, ‘ঈসার মৃত্যু ব্যতীত ইসলামকে জিন্দা করা যাবে না’ . তাদের এ সব ভ্রান্ত মতবাদ বিশ্বে বিশেষভাবে মিডিয়ার যুগে মারাত্মক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে চলেছে ৷ আর ইহা অবিশ্বাস্য যে যিনি নবীর তালিকায় থেকেও কোন ওহী দাবীদার নহেন সে ক্ষেত্রে মাহদী নাম যুক্ত করে ওহী প্রাপ্ত বলা আল্লাহর কাছে তা কতটুকু গ্রহণযোগ্য তিনিই তা ভাল জানেন ৷ একথা অনস্বীকার্য যে, স্বয়ং ঈসা (আঃ) যদি বলে তিনিই ঈসা (আঃ), তবুও লোকে তাঁকে বিশ্বাস করবে না, তিনি যদি বলেন পাক-কোরআন সত্য বরং আহমদিয়াত জামাত ভ্রমে পতিত হয়েছে ৷ অবশ্যই তারা একথা কিছুতেই মানবে না ৷ কারণ কাল শেষে মসি-সম্রাটের সংখ্যা অত্যধিক বৃদ্ধি পাবে ৷ তবে ভুললে চলবে না তৃতীয় কাল বলেও এককাল রয়েছে যখন কাকেও সময় দেয়া হবে না ৷ (মারে-ফুল কোরআনের ও ইঞ্জিলের আলোকে) ৷


রবিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

রূহ


রূহ
আবুলকালামআজাদবাসু
24/2/2013

ফুল তুলিতে রসের বৃন্দাবনে যার
হৃদয় যায় ছুটিয়া বারংবার, বনে
বিষাক্ত কাঁটা বিধে সর্বদা তা মনে
ব্যথা বেদনা অনলে জ্বলে সে দংশনে ৷

তার মাঝে অনন্ত সুখ দেখিয়া কলি
ছুঁইতে নাহি পারে কেউ সেই অরূপ ৷
মানবের সর্ব সুখ স্ব রূহ অরূপ,
রূহ আল্লাহর রূপ অবিকল গুণ,
ভাবিয়া দেখ হে বিশ্ব মানব সমাজ ;
সমালোচনা মুখরে করনা নারাজ ৷
জিন পরী মানব ফেরেস্তা যাবে কোথা
প্রত্যাবর্তনে? পরমাণু এই যে আমা
অন্তরে, আমি অরূপ-রূপ নিরাকার ৷
কোথায় যাও ছুটিয়া সৃষ্টির গহ্বরে!
দেখিয়া লও সব তত্ত্ব যদি জানতে
চাও মোঁরে বিশাল সৃষ্টি-মহাসাগরে ৷

শনিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

বাম গালে চপেটাঘাত করেছে অথচ ব্যথা পায়নি


বাম গালে চপেটাঘাত করেছে অথচ ব্যথা পায়নি
আবুলকালামআজাদবাসু
23/2/2013

বিষয়বস্তু অনুসারে যে কোন লেখক তাঁর লিখা অনুচ্ছেদের নামকরণ করে থাকেন যা অন্যান্যদের তিনি শেয়ার করার নিমিত্তে লিখেন ৷ তাতে দেখা যায় কিছু সমালোচক বের হন যারা ঐ লেখার সমালোচনা করে বলে থাকেন এই বলে প্রবন্ধটির নাম এটা না হয়ে ঐটা হওয়া উচিত ছিল ৷ আর এক ধরণের লোক সরাসরি ঐ প্রবন্ধটির লেখা নিয়ে সমালোচনা করে থাকেন ৷ এখানে এই প্রবন্ধটির নাম দেয়া হয়েছে ‘বাম গালে চপেটাঘাত করা হয়েছে কিন্তু ব্যথা পায় নি’ অর্থাৎ লোকটি বা অন্যান্যরা কোন ব্যথায় পায় নি, যদিও এরূপ অন্য লেখকের যা শুনে আমার উল্লসিত করে ৷ তিনি বর্তমানে বাংলার জনপ্রিয় লেখক ৷ সত্য এটি যে তা লিখা বাস্তবে একটাও পড়িনি টিবিতে নাটক দেখে থাকি ৷ ঐ বাক্য শুনে মনে উল্লাস জাগে ৷
একটি কুকুর ছিল দুর্বল প্রকৃতির যে পথে চলাকালীন সময় যে কোন কুকুর দেখলেই ঝগড়া করত ৷ একদিন ঐ দুর্বল কুকুর একটি সবল কুকুরের পাশ অতিক্রম করার সময় ঝগড়া শুরু করল ৷ সুস্পষ্ট যে দুর্বল কুকুরটি পরাজয় বরণ করে পালিয়ে যাচ্ছিল ৷ কিছুদূর গিয়েই আবার পেছনে দিকে ফিরে আবার হয়তো গালিগালাজ করে এবং তুমি আমায় বাম গাল চপেটাঘাত করেছ ঠিকই কিন্তু ব্যথা পাইনি ৷ সবল কুকুরটি আবার দৌড়ে গিয়ে কামড় দেয় ৷ তখন দুর্বল কুকুরটি আবার বলতে থাকে দেখি আবার কামড় দাও দেখি ৷ তখন সবল কুকুর ঝাঁপিয়ে পড়ে বেদম ভাবে কামড়াতে থাকে ৷ বাম গালে দেখি কিভাবে তুমি আমার ডান গালে কামড় দিতে পার! তখন আবারও কামড়াতে থাকে ৷ দুর্বল কুকুরটি কামড় খেয়ে পলাতে থাকে এবং পলাতে থাকে অন্য এক স্থানে ৷ হযরত ঈসা (আঃ) বলতেন যে, কেহ যদি বাম গালে চপেটাঘাত করে তাহলে ডানটিও পেতে দাও চপেটাঘাত করতে ৷ এটাই সভ্যতা, ইহাতে বিপক্ষ বুঝতে পারবে অন্যজন কতটুকু সংযত ৷ প্রত্যেকেরই হৃদয় রয়েছে হয়তো কেহ বা প্রকৃতিগত-ভাবে নির্মম ৷ হয়তো এই সভ্যতা বা শান্ত স্বভাব মনুষ্যের মনকে পরিবর্তন এনে দিতে পারে ৷ যদি না হয় তাহলে মানুষের উগ্রতা বা উত্তাপ পৃথিবী থেকে নৈরাজ্য দূর করতে পারবে না ৷
অসৎ কর্মীরা অজ্ঞ লোকদের বিপথগামী করার জন্য নিজ-দলের অন্তর্ভুক্ত করে থাকে এই ধর্মান্ধ বিশেষ করে মুসলিমদের ধর্ম নানা ভুল তথ্য প্রদান করে ৷ তারা এক ধরনের শিক্ষা প্রচার করে অনুশীলন দিয়ে থাকে ৷ আর তাদের মতবিরোধকে কেন্দ্র করে খ্রিষ্টান ঐটাকে ক্রুশ যুদ্ধ বলে আখ্যায়িত করে থাকে অন্যদিকে মুসলিমেরা উহাকে জিহাদ বা ধর্মযুদ্ধ বলে থাকে ৷ সত্যিকার অর্থে ঐ মতবিরোধ কেবল তাদের নিজ স্বার্থ হাসিল করার অপ-কৌশল মাত্র যাতে পৃথিবীতে খ্যাত হওয়া যায় ৷
যে কেহ ভাল কর্ম করে থাকেন তাদের এ কর্ম মানুষে দেখতে না পেলেও আল্লাহ তা দেখেন ৷ মতবিরোধের কারণে হিটলার লাখের উপর ইহুদিকে হত্যা করে হয়তো কিছু ইহুদির প্রকৃতিগত দোষ ছিল ৷ কিন্তু সব ইহুদিকে পাইকারি হারে মৃত্যুদণ্ডের সাজা প্রদান করা যায় না কিন্তু তিনি তাই করেছেন ৷ ঐরূপ কিছু কোন ধর্মই হতে পারে না যে মতবাদ বিনা কারণে মানুষ হত্যা করে বা সেই মতবাদ যে কাহারও ণ্রহণযোগ্য না হলে সেই কারণে প্রাণনাশ বা বধ করা উহা কোন ধর্মই নহে ৷ মানুষের চিন্তা করা উচিত যে হিটলার কিন্তু ইহুদি জাতিকে সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন করতে পারেনি কারণ উহা আল্লাহর ইচ্ছা নয় ৷
যদি কেহ কোন জাতির মেয়ে-জাতিকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে বলে যে তারা স্ফীত, মেদযুক্ত এবং বেহায়াপনা তাহলে এবং রাস্তাঘাটে পাওয়া যায় এটি ধর্মীয় বা সামাজিক আচরণ  নয় ৷ বরং এটা ঐ সমাজের লোকদের উত্তপ্ত করবে এবং হিংসা বিদ্বেষ বৃদ্ধি করবে ৷ কিছু এমন শব্দ একটি সমাজ ব্যবহার করেছে যা ঈসাকে (আঃ) নিয়ে কিছু লোক বা বৃহত্তর সমাজ তারা মুসলিম নন বা তারা অবিশ্বাসী, তারাও মুসলিম সমাজে ছিল ৷ তিনি কি লিখেছেন: ‘ঈসাকে মরতে দাও যাতে ইসলাম জিন্দা হয় ৷’ যত কথাই লিখুক আমার কাছে এ বক্তব্য প্রতিবাদের বিষয় যদিও আমি খ্রিষ্টান নই ৷ হযরত ঈসা (আঃ) এর জীবনী লিখক হিসাবে তো বটেই ৷ এইরূপ মতবাদ ইসলামের বা ইসলামিকও নয় ৷ যে নীচমনা অর্থে এইরূপ বাক্যাদি ব্যবহৃত হয়েছে তা ঘৃণ্য ৷ অনেকেই বলতে শুনি যে প্রকৃত ইসলামের অনুসারীরাই মুসলিম ৷ একথাটি সব বক্তাই লিখেছেন যে বা বলছেন যে, প্রকৃত মুসলিমদের জন্য আর কোন পরীক্ষা নেই ৷ আমার মনে হয় ঐ সব জ্ঞানী ব্যক্তিদের বক্তব্য সত্য বা মিথ্যা কিন্তু শেষ সময়ে পরীক্ষায় পাশও অনিবার্য ৷৷ (না হয় খ্রিষ্টান, ইহুদি, মুসলিমদের মধ্যে তফাৎ কি)? কিছু লোককে আল্লাহ প্রচুর ধন সম্পদ দান করেছেন হয়তো কেবল আরাম আয়েশ করার জন্য ৷ তা যদি নাইই হয় তবে কেন নয় ঐ সমস্ত নারীদের রাস্তাঘাট থেকে তুলে সুন্দর জীবন যাপন করার বন্দোবস্ত করা হবে না! ঐ সবাই কারও মা বা কারও বোন ৷ দেখুন তা কি ফল বয়ে আনে ৷ অন্তর, সহানুভূতি এবং ভালবাসা মানুষকে দিলে তা শেষ হয়ে যায় না বাস্তবে ঐ সব স্থানে যথেষ্ট প্রাচুর্য রয়েছে যেখানে শতাধিক মহিলা একের তত্ত্বাবধানে ধনী ব্যক্তির আশ্রিতা ৷ হতে পারে তারা কারও শত্রু ৷ আমাদের পেছনে বা সামনে কি দেখি ৷ এটা এরূপ যে একসময়  ব্রিটিশরা ভারতীয়দের শত্রু ছিল ৷ পাকিস্তান বাংলার শত্রু ছিল কিন্তু সময় অতিবাহিত হয়ে গেছে ৷ ঐ সব দেশ কি এখন শত্রু মনে হয় ?
অন্যের ক্ষতি করা চিন্তা না করে বরং ডান গালটা চপেটাঘাত করার জন্য দেওয়া উত্তম ৷ হাদিসে পাওয়া যায় শেষ যামানায় দজ্জালের আবির্ভাব ঘটবে তার সাথে দু-জাতিও আসবে যারা মানুষকে অধঃপতনে নিয়ে যাবে ৷ তারা ইয়াজুজ ও মাজুজ ৷ মুসলিমদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে ইয়াজুজ ও মাজুজ দজ্জালকে সহায়তা করবে ৷ তারও পূর্বে মুসলিমদের মাঝে নিজেরাই নিজেদের মধ্যে লড়াই করবে এবং সেইসাথে অনেক মুসলিম মারা যাবে ৷ এ যুদ্ধের কারণ হবে একই সত্ত্ব ৷ পৃথিবীর যত্র তত্র দেখা যাচ্ছে মুসলিম জাতির মধ্যে মতবিরোধ এবং অকারণে অনেক লোক মারা যাচ্ছে ৷
রও জানতে পারা যায় যে ইয়াজুজ মাজুজ পৃথিবীর জনসংখ্যার চেয়ে দশগুণ বেশী হবে ৷ হয়তো ঐ জাতিরা পৃথিবী-বাসীকে কোন সময় দিবে না ৷ এটা যদি হয় তাহলে একটু চিন্তার প্রয়োজন ৷ যা খৃষ্টধর্মে বর্ণিত অনুরূপ ইসলামেও উহা কি সত্য নয়?

বৃহস্পতিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

তোমারে চিনলে না


         তোমারে চিনলে না
আবুলকালামআজাদবাসু
21/2/2013

ও-মন মনুরে কি রূপ-গুণে আইলা,
ভুবনে ভবসাগর পাড়ি দিয়ে তীরে!
তুমি যে তোমারে চিনলে না রং-বেরঙে,
কত লীলা দেখিয়াছ জনম জনমে ৷
ও-মন মনুরে কি রূপ-গুণে আইলা,
ভুবনে ভবসাগর পাড়ি দিয়ে তীরে!
হৃদয় হতে রং দিয়ে তোঁমায় পেয়েছি,
রূপের প্রাণে কেন ঘুরছ মন ও রে!
নীচ আকাশের স্তরে স্তরে তোমারও
আছে বহু ষ্টেশন মনে তোমার নাই ৷
তাকাও-রে মন এবার পিছন ফিরে
কত লীলা দেখিয়াছ জনম জনমে ৷
ও-মন মনুরে কি রূপ-গুণে আইলা,
ভুবনে ভবসাগর পাড়ি দিয়ে তীরে!




বুধবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

পিতা কালাম’ জন্ম কালো (২০)


পিতা কালাম’ জন্ম কালো (২০)
আবুলকালামআজাদবাসু
20/2/2013


বিসমিল্লাহির রাহমানির রহিম
পরম করুণাময় আল্লাহর নামে ৷
চিত্রকর অঙ্কনে হয় না চিদানন্দ,
কালামের বাক্য ‘হও’ এ হয় চিদাত্মা
তিনিই চিরঞ্জীবী মহা-পরম সত্তা ৷
উনিশে রাত্রের স্বপ্নে মোর বিমুগ্ধতা,
সত্য সাক্ষী-দাতার সহায়তায় মোর,
উপায়ন বিশ্বব্যাপী কালোকিষ্টি দীপ্ত ৷
কেহ বলে ‘ব’ ও ‘স’ বর্ণ-দ্বয় কৃষ্ণের,
অন্য কেহ বলে যে তা সিদ্ধার্থ বুদ্ধের ৷
জাহেরি কালাম বলে আলফা ওমেগা,
আমার মতন কৃষ্ণ-মসি জানে না তা,
তাই বারে বারে বক্ষে ধরি মহা-গ্রন্থ ৷